হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশ

earth (3)

হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কক্সবাজারের টেকনাফ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৯।

আজ সোমবার  রাত ৮টা ১৮ মিনিটে এ ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের মংডু এলাকায়। জায়গাটি বাংলাদেশ থেকে একশ ৯৪ কিলোমিটার দূরে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল জাপান। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৮।

এটিকে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বর্ণনা করেছিল জাপানের আবহাওয়াবিদরা। দেশটির হোকাইদোর দ্বীপে এই ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল।

প্রসঙ্গত এর আগে ঘূর্ণিঝড় ফণির তাণ্ডবের মধ্যেই বাংলাদেশে ৫ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

earth (4)শনিবার বিকেল ৫টা ৪মিনিটে হওয়া ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারত। এর গভীরতা ছিল ১০০ কিলোমিটার।

আবহাওয়াবিদ সাইদ আহমদ বলেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সিলেটের কাছাকাছি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে ঘূর্ণিঝড় ফণির সঙ্গে এর কোনো সর্ম্পক নেই।

ভারতে তাণ্ডব চালানোর পর ঘূর্ণিঝড় ফণী বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

তবে বাংলাদেশের ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে এর তীব্রতা কমে গেছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ফণীর রেশ কাটতে না কাটতেই তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত সীমান্ত।

শনিবার বিকাল ৪টা ৩৩ মিনিটে ভারতের নাগাল্যান্ডের মন থেকে ৯৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। কম্পনের তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৪।

এছাড়া কম্পনের উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ১০০ কিলোমিটার। এই ভূমিকম্পে ভারত ও মিয়ানমারে প্রভাব পড়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পের কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

ভারতীয় আবহাওয়াবিদরা ৮ মাত্রার কম্পন হতে পারে বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছিলেন।

ই ভূমিকম্পের ফলে এখনও কোনও হতাহতের খবর সামনে আসেনি।

earthঅথবা বড় কোনও সম্পদ নষ্টের কথাও জানা যায়নি।

তবে উত্তর পূর্ব ভারতের সীমান্ত রাজ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে নিঃসন্দেহে।

কারণ বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে ফণীর ফলে ঝড়-ঝঞ্ঝা আছড়ে পড়তে চলেছে বলে আগেই আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত শুক্রবার একদিকে যেখানে ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড় ফণী আছড়ে পড়েছিল।

পূর্ব ভারতে হইচই পড়ে গিয়েছিল, সেই সময়ই হিমাচল প্রদেশের মান্ডিতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

মাঝারি মাপের সেই ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪.২। সেখানেও কোন প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে উঠে আসতে পারে বড়সড় কম্পন ৷

যা মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে বিশ্বকে ৷ আগামী দুদিনের মধ্যে ৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের সাবধানবাণী শোনাচ্ছেন ভূতত্ববিদরা ৷

সৌরজগতের অবস্থানগত কিছু পরিবর্তনের জন্য পৃথিবীতে এই ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে ৷