স্যার, যাবেন না দয়া করে

received“স্যার, যাবেন না দয়া করে!”
পড়ুয়াদের জড়িয়ে ধরা কাতর আবেদনে কেঁদে উঠল শিক্ষক ।

প্রিয় ইংরেজির শিক্ষক চলে যাচ্ছেন। খবরটা পেয়েই আর স্থির থাকতে পারেনি পড়ুয়ারা। সরকারি নিয়ম, তাই যেতেই হবে। তবু শিক্ষক গেট থেকে বেরোনোর মুহূর্তেই গড়ে উঠল মানবপ্রাচীর। হাতে হাত রেখে ঘিরে দাঁড়াল খুদে পড়ুয়ারা। চোখে জল আর কাতর আবেদন, “স্যার, যাবেন না দয়া করে!” সে আর্তি শুনে তখন চোখে জল শিক্ষকদেরও।

এমনই এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনার সাক্ষি থাকল তামিলনাড়ুর একটি সরকারি হাই স্কুল। সেই স্কুলে ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা করতেন জি ভগবান নামে এক তরুণ শিক্ষক। ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে তাঁর দারুণ বন্ধুত্ব। শিক্ষক থেকেও বেশি তিনি পড়ুয়াদের বন্ধু। অবসর সময়ে তাদের গল্প শোনাতেন। কার বাড়িতে কী অবস্থা সব খোঁজখবর রাখতেন। কার কীসে অসুবিধা-সুবিধা তা তাঁর নখদর্পণে।

পড়ুয়ারাও তাই মন খুলে শিক্ষককে বলতে পারত সব কথা। ভালও বাসত। সেই শিক্ষক চলে যাচ্ছে দেখে আর বসে থাকতে পারেনি তারা। কিন্তু এমন একজন শিক্ষককে কেন যেতে হচ্ছে? জানা গেছে, যে স্কুলে তিনি চাকরি করতেন ছাত্র অনুপাতে সেখানে শিক্ষকের সংখ্যা বেশি। তাই যে স্কুলে শিক্ষক কম এমন স্কুলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। কিন্তু প্রিয় শিক্ষকের সঙ্গে বিচ্ছেদ মেনে নিতে পারছে না কেউই। পড়ুয়াদের এই অবস্থা দেখে কাতর শিক্ষকও। ছাত্রদের সঙ্গে সঙ্গে তাঁরও চোখে জল। এই ঘটনা ইতিমধ্যে সোস্যাল মিডিয়ায় রিতীমতো ভাইরাল হয়ে পড়েছে।