প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধার কফিন পতাকায় ঢাকতে বাধা দেওয়ায় শামীম হকের তীব্র নিন্দা

freedomফিনল্যান্ড প্রবাসী এক মুক্তিযোদ্ধার কফিন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় ঢাকতে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। জহির নামে ওই মুক্তিযোদ্ধা সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করেন। ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে জানাজার সময় এমন ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউরোপের বাংলাদেশি মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এই ঘটনায় সর্ব-ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের পক্ষে সাবেক তুখোর ছাত্রনেতা বর্তমানে ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সর্ব-ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শামীম হক তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

জানা যায়, প্রবাসী মুক্তিযাদ্ধা জহির মৃত্যুবরণ করলে তার জানাজার আয়োজন করা হয়। এ সময় তার কফিনের ওপর বাংলাদেশের পতাকা দিতে যান আওয়ামী লীগের ফিনল্যান্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম। এ সময় তাকে ধর্মের দোহাই দিয়ে পতাকা দিতে বাধা দেন আ. কুদ্দুস এক জামায়াত নেতা। বাংলাদেশি মহলের অভিযোগ, ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের আড়ালে সবুর জামায়াতের আদর্শ বাস্তবায়নে নিয়োজিত।

মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে মাইনুল অভিযোগ করে লিখেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাকে জামায়াত যে কতটা ঘৃণা করে তার প্রমাণ ফিনল্যান্ডে পেলাম মুক্তিযোদ্ধা জহিরের নামাজে জানাজায়। আমি যখন জাতীয় পতাকা বের করে কফিনের উপর রাখার কথা বললাম তখন এই দেশে (ফিনল্যান্ড) জামায়াতের (যা ইসলামী ফোরামের ছদ্মনামে পরিচালিত) প্রতিষ্ঠাতা ও মূল পৃষ্ঠপোষক কুদ্দুস বাধা দিয়ে বললেন ‘পতাকা দেয়া যাবে না, কারণ ধর্মে নাই।’ তাকে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ধর্মের কোথায় আছে পতাকা দেয়া যাবে না? দেশে তো আজ পর্যন্ত কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখলাম না। তখন ওই জামায়াত নেতা উত্তর দিলো, দেশে তো কতো কিছুই হয়। আমি বললাম, হ্যাঁ দেশে অনেক কিছুই হয়। রাজাকারের বিচার হয়। আর আপনারা তাদের মুক্তির জন্য এইখানে লিফলেট বিতরণ করেন। গোলাম আযমের গায়েবানা জানাজা করেন।

ফেসবুকের পোস্টে তিনি আরও বলেন, দেশে জাতীয় পতাকা অবমাননা করে কেউ রেহাই পায় না, এখানে পেয়ে গেল। ধর্মের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এসব জামায়াতি লোকদের থেকে প্রবাসীদের সাবধান থাকতেও তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন।