যে কারনে ১৪ তম পরীক্ষা গ্রহণ অবৈধ ছিল

14২০১৫ সালের ২১ই অক্টোবর মেধায় নিয়োগ দেওয়া হবে বলে প্রজ্ঞাপণ জারি হয়। এর পর ২০১৬ সালে একটি এলোপাতারি নিয়োগ সার্কুলার হয় তাতে ১২০০০ হাজার শূণ্য পদের মধ্যে মাত্র প্রায় ৫০০০ নিয়োগ পায়। আবেদন নেওয়া হয় প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক আর নিয়োগ দেওয়া হয় উপজেলা কোঠায় কম নাম্বর ধারীদের। এর পর ১-১২তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ দেশের উচ্চ আদালতে রীট করেন রীট হয় ১৬৬ টি, এর রায় হয় ১৪ ডিসেম্বর আর রায়ের কপি প্রকাশ হয় ৩ এপ্রিল। ntrca এর নিকট রায়ের কপি পৌছায় ১৮ তারিখ।

রায়ে বলা এনটিআরসিএতে রায়ের কপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে মেধাতালিকা করে নিয়োগ দিতে হবে ntrca এর। কিন্ত দেখা গেছে ১-১২ তম সমস্যা সমাধান না করে এনটিআরসিএ মামলা চলাকালীন ১৩ তম পরীক্ষা নিয়ে ফলাফল প্রকাশ করে এর আবার ১৪তম লিখিত পরীক্ষা ফলাফল প্রকাশ করেছে। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অনেক অনেক অওভিযোগ ছিল কিন্ত এভাবেই রয়েছে অভিযোক কোন সমাধান নাই। এমন অভিযোগ ১৩ তম নিয়েও ছিল। অভিযোগ ভাল পরীক্ষা দিয়ে লিখিত পরীক্ষায় পাশ না করা। এক রোলে ভিন্ন ব্যক্তির ছবি আর ভিন্ন ব্যক্তি পাশ করা।
কিন্ত আসল কথা হল ১৩ সার্কুলারের আগে বলা হইছিল শূন্য পদের বিপরীতে লিখিত পরিক্ষায় পাশ করানো হবে। তবে আসল কথা হল ১৩ তম শুন্য পদ প্রকাশ না করেই ভাইবা রেজাল্ট দিয়ে সনদ দিল সেখানে নিয়োগ দেওয়ার কথা ছিল।

এর এই প্রতিষ্টান ১৪ তম সার্কুলার দিল সেখানে আবেদন করে ৯ লক্ষ প্রার্থী। কিন্ত কীন শূণ্য পদ উল্লেখ্য করে নাই। তবে সার্কুলারে বলছে শূন্য পদের বিপরীতে ঠিকান হবে। তাই স্পষ্টই বলা যায় শূন্য পদ প্রকাশ না করে এমন পরীক্ষা নেওয়া অবৈধ।

১-১২ তম সমাধান না করে সেখানে ১৩,১৪ নিয়োগ দিতে পারছেনা সেখানে এ মাসের শেষের দিকে নাকি ১৫ তম পরীক্ষার সার্কুলার দিবে।

ব্যাপরটি পরিষ্কার ১-১২ তম আগে নিয়োগ হবে তার পর ১৩,১৪,১৫।

সাখাওয়াত