যে কারণে মাঠ থেকে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সাকিব

sakibআর মাত্র ১২ রান বাকি। হাতে বল ছিল ৪ টি। ব্যাটিংয়ে রুবেল আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এমন সময় বাউন্ডারির বাইরে থেকে মাঠ ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

ঘটনার শুরু ২০তম ওভারে। ইউসুফ উদানার প্রথম বলে বাউন্সারে বিদান নেন মেহেদি মিরাজ। এরপর স্টাইকে আসেন মুস্তাফিজ। তাকেও একই ভাবে কাঁধের উপর থেকে বল করেন উদানা। এতে ব্যাটে বল না লাগায় লেগবাই রান নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বোলারের প্রান্তে রান আউট হন। কিন্তু এখানেই বাধে বিপত্তি। কারণ আইসিসির নিয়ম অনুসারে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ওভারে একটির বেশি বাউন্সার দিতে পারবেন না। কিন্তু উদানা দুইটি বাউন্সার দিয়েছেন। এতে লেগ আম্পানরা এটিকে নো বল ডাকলেও মূল আম্পায়ার এটিকে সঠিক বলে।

কিন্তু নিয়ম অনুসারে বাংলাদেশ নো বল পায়। এতে করে বাংলাদেশ নো বলে একটি বাড়তি রান ও একই সঙ্গে ফ্রি-হিট প্রাপ্তি ছিল। এটি নিয়েই মাঠের বাইরে থেকে প্রতিবাদ করেন সাকিব। প্রতিবাদ করার সময় তিসি রুবেল ও মাহমুদুল্লাহকে মাঠ ত্যাগের নির্দেশ দেন। কিন্তু এসময় সময় মাথা ঠান্ডা রেখে মাঠে থাকেন মাহমুদুল্লাহ। পরবর্তীতে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে স্ট্রাইকে যান মাহমুদুল্লাহ।

মাহমুদুল্লাহ এর পরই ব্যাটিং আগ্রাসি রূপ দেখান। তিনি শেষ চার বলে প্রথমটিতে একটি চার মারেন। পরের বলে নেন দুই রান। এরপরের বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ১ বল হাতে রেখে দলের জয় নিশ্চিত করেন।এতে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে শ্রীলংকাকে ২ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ।

প্রথমে টসে হেরে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করেছে।১৬০ রানের লক্ষে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে শেষ হওয়ার ১ বল আগেই ২ উইকেট হাতে রেখে জয়ের লক্ষে পৌছিয়ে যায় টাইগাররা।

আউট হয়েছেনঃ লিটন দাস(০),সাব্বির(১৩),মুশফিক(২৮),তামিম(৫০),সৌম্য(১০)।নট আউট মাহমুদউল্লা(৪৩) ও রুবেল(০)।

ব্যাটিংয়ের শুরুতে আজও ব্যর্থ হন লিটন দাস।দ্বিতীয় ওভারে দনঞ্জয়ার বলে শূন্য রান করে সাজ ঘরে ফিরে যান এই ডান হাতি ব্যাটসম্যান।এরপর তামিমের সাথে নতুন করে জুটি গড়ার লক্ষে ব্যাটিংয়ে আসেন সাব্বির কিন্তু সেই জুটি করতে পারলেন না এই ডান হাতি ব্যাটসম্যান।

মাত্র ৩ চার মেরে ১৩ রান করে স্ট্যাম্পিং আউট হন তিনি।শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর ব্যাটিংয়ে আসেন ফর্মে থাকা মুশফিক।তামিমের সাথে গড়ে তোলেন ৬৪ রানের জুটি।মুশফিকের বিদায়ের পর সৌম্যকে সাথে নিয়ে ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশত করে।

টাইগার একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাশ, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মেহেদি মিরাজ, , মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন,নাজমুল ইসলাম অপু।

শ্রীলংকা একাদশঃউপুল থারাঙ্গা, দানুশকা গুনাথিলাকা, কুসল মেন্ডিস, দাসুন শানাকা, কুসল পেরেরা, থিসারা পেরেরা, জিবন মেন্ডিস, ইসুরু উদানা, আকিলা দনঞ্জয়া, নুয়ান প্রদিপ, আমিলা আপোন্সো।