বজলুর রশীদ বুলুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা

bulu“বঙ্গবন্ধুর”হাতে গড়া দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকেই বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করে,বর্তমানে তারই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সুসংহত অবস্থানে আসার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান,তার লক্ষ লক্ষ নিবেদিত কর্মীদের দলের প্রতি ভালবাসা এবং প্রোয়জনে নিজের জীবন উৎসর্গ করার রিড়ল দৃষ্টান্ত এবং সেটা ৫২,৬৪/৬৫,৭৯ সর্বাপরি ১৯৭১ সালেই প্রমান দিয়েছে ।আমরা দেখেছি,৭৫ এ জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার পর,দেশকে যখন পেছনের দিকে অর্থাৎ পাকিস্তানের মতাদর্শে ফিরেয়ে নেওয়ার জন্য যতবার অপচেষ্টা করা হয়েছে,ঠিক তত বারই কর্মীরাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে সকল অপচেষ্টা রোধ করেছ।আজ বিশেষ ভাবে তুলে ধরছি “বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ”এর এমনই একজন কর্মীর কথা,তিনি আমাদের সকলের,বিশেষ করে সকল প্রবাসীদের অত্যন্ত প্রিয় মুখ,১/১১ এর সময় দল ও নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা,বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি “বজলুর রশিদ বুলু” র,ব্যাক্তি এবং রাজনৈতিক জীবনের নানা ত্যাগের জানা ও অজানা কথা।

“বজলুর রশিদ বুলু” বিদ্যালয় জীবন থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।১৯৮৩ সালে ভিক্টোরিয়া কলেজে শফিক-জাহাঙ্গীর পরিষদের সাধারণ সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ১৯৮৯ সালে বেলজিয়াম গমন করেন এবং সেখানেও মুজিব সৈনিক হিসাবে তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখেন।১৯৯০ সালে তৎকালীন সৈরশাসক হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের ব্রাসেলস সফরের সময়,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মসুচির সাথে একত্বতা প্রকাশ করত,সৈরাচার বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় পার্টির কর্মীদের দ্বারা শারীরিকভাবে লান্চিত হন,তার পরেও শত বাঁধা উপেক্ষা করে,প্রবাসে আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদের পতন কে ত্বড়ান্বিত করেন।

১৯৯৩ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের প্রথম কমিটি ঘঠিত হলে,তিনি সেই কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবে প্রবাসী আওয়ামী লীগের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় মেয়াদে যুগ্ন সম্পাদক এবং তৃতীয় মেয়াদে প্রথমে সহ-সভাপতি,২০০৬-২০০৯ মেয়াদে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।২০১০ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা,তাকে বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোনীত করেন।এখানে উল্লেখ্য যে,বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসকে ইউরোপের রাজধানী বলা হয়ে থাকে,ইউরোপিও ইউনিয়নের সদর-দপ্তর এখানে অবস্থিত,১/১১ এর সময় নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হিসাবে ব্রাসেলসকে মুল্যায়ন করা হয়।সেই সময়ে,দল,দেশ ও সর্বপরি জননেত্রী শেখ হাসিনার দূর্দিনে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আন্দোলনের,গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে “বজলুর রশিদ বুলু” শত রক্তচখ্যু উপেক্ষা করে,নেত্রী মুক্তি আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরেন।জননেত্রীর মুক্তির জন্য ইউরোপিও পার্লামেন্টে সাধারন শুনানির স্পিকার হিসাবে তিনি জোড়ালো বক্তব্য প্রদান করেন,সেই শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর নাতনি বর্তমান বৃটিশ এমপি টিউলিপ,সাংবাদিক গাফ্ফার চৌধুরী,সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু অনিল দাশগুপ্ত,উইলিয়াম স্লোন(যিনি নেত্রীর আইনজীবি ছিলেন) সহ ইউরোপের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।নেত্রী মুক্তি আন্দোলনের ব্যাপারে,বাংলার ভাবিষ্যৎ কর্নধার সজীব ওয়াজেদ জয় সাম্পতিক জার্মানে অনুষ্ঠিত পাঁচ দিনের সিবিট মেলা শেষে,জার্মান আওয়ামী লীগ কতৃক আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনার বক্তব্যে উল্লখ করেন যে,১/১১ এর সময় তাকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছিলেন বজলুর রশিদ বুলু।

২০১৪/১৫ সালের বিএনপি-জামাতের আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশ্ব-জনমত গঠনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন এবং সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন/পৌর ও উপজেলা নির্বাচনে,তার জন্মভূমি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে,আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচন প্রচারনায় আংশগ্রহণ করেন।

তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান,তার বাবা প্রত্যেক্ষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধ কালিন সময়ে নানা ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেন।তার মামা তিনবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন(বোগাড্ডা ইউনিয়ন, লাকসাম, কুমিল্লা)।

আজ ২০ জুলাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অবিচল দেশরত্ন শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ কর্মী বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রশীদ বুলুর জন্মদিন।শুভ জন্মদিন প্রিয় নেতা আপনার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।আপনার বিচক্ষন নেতৃত্বে বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ আগামীতে আরো সুসংহত অবস্থানে পৌছাবে বলে আশা রাখি।