নাগরপুরে স্মৃতির সুর-মূর্ছনায় মিলিত হলো এসএসসি’৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা

nagpurপৃথিবীতে ভালো লাগা-ভালোবাসা, গভীর আবেগ ও মমতা জড়ানো অসংখ্য শব্দ রয়েছে। যেসব শব্দের নাম উচ্চারণ করামাত্রই বা ভাবতেই মনের মাঝে অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। যেমন- মা, মাতৃভূমি, মাতৃভাষা, স্বাধীনতা, পতাকা, ঈদ, পূজা, বনভোজন, মেলা…। তেমনি এক গভীর আবেগ, অনুভূতি ও স্মৃতির সুর-মূর্ছনার মোড়ক মোড়ানো শব্দের নাম পুনর্মিলনী। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের নানা রকমের পুনর্মিলনী হতে পারে। তবে শিক্ষাজীবনের প্রাণের ক্যাম্পাসের প্রিয় সহপাঠী বন্ধুদের পুনমিলনী সে যে সাধেরই একতারা। ‘সে যে শুধু মিলনের সুখ-সুর গায়/ ভেসে স্মৃতির ভেলায়/ দাঁড়িয়ে স্মৃতির জানালায়।’

এরই ধারাই ‘আমি মানেই নিতান্ত ক্ষুদ্র, আমরা মানেই মহাসমুদ্র’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এসএসসি ১৯৯৮ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৭ জুন) নাগরপুর সরকারি কলেজ মাঠে জাকজমকপূর্ণ ভাবে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ‘৯৮ ব্যাচের প্রয়াত দুই বন্ধুর স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পর্যায়ক্রমে একটি আনন্দ র‌্যালি সরকারি কলেজ মাঠ থেকে বের হয়ে উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারো সরকারি কলেজ মাঠে এসে শেষ হয়। পরে আলোচনা সভা, বিভিন্ন খেলাধুলা, গুণীজনদের সংবর্ধনা ও র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজক কমিটির সদস্য ‘৯৮ ব্যাচের আব্দুল বাসেত, সাঞ্জিব, শাহানশাহ, মিশু, মনির, আরিফ, শারিফুল, জুবেরি, মানিকসহ আরও অনেকের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের ফসল সফল এই অনুষ্ঠানটি।

অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যদুনাথ পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজ অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র শিক্ষক রমেন্দ্র নারায়ণ শীল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের অতিরিক্ত পরিচালক এস. এম. জাহিদ হাসান, যদুনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক মন্টু চক্রবর্তী প্রমুখ।

এ সময় ‘৯৮ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থী উপস্থিত থেকে আতসবাজির ফুটানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ করা হয়।