তিন ভাগের এক ভাগই ফেল!

failএবার মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে। পরীক্ষা দিয়েছিল ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন, এর মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন। ফলে ফেল করেছে ৪ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৬ জন।

এবার ১০ বোর্ডের পাসের গড় হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ২৭ শতাংশ।

জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৬২ জন। গতবার পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন। ফলে জিপিএ ৫ কম পেয়েছে ৮ হাজার ৪৬৪ জন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর গণভবনে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ফলাফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে হস্তান্তর করেন।

এইচএসসিতে যারা অকৃতকার্য হয়েছেন তাদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা অকৃতকার্য হয়েছেন তারা নব উদ্যমে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে আগামী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার চেষ্টা করবেন।

এছাড়া যারা কৃতকার্য হয়েছেন তাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পরিবার ও শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভেচ্ছা রইলো। তাদের জন্য দোয়া করি। আরও বেশি সফলতা কামনা করি।

চলতি বছর ২ এপ্রিল থেকে ১৩ মে এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা চলে। এরপর ১৪ থেকে ২৩ মে নেওয়া হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।
সারা দেশে দুই হাজার ৫৪১টি কেন্দ্রে এবার ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেয়।