ট্রেনের ছাদে ওঠে পানির টাঙ্কির মধ্যে প্রসাব করছে

trinডাউন বলাকা কমিউটার গত বৃহস্পতিবার সন্ধার আগে ধীরাশ্রম স্টেশন। পবিত্র! কর্ম সারছেন তিনি। এই পানি দিয়ে যাত্রী কুলি বা অজু করবে নিচে।

আমরা বলেছিলাম, ছাদে যাত্রী ওঠা পরিহার করার জন্য সামনে আনা কোচের ছাদের ডিজাইন উত্তল করা হোক। রেল বলেছে তা সম্ভব নয়। ইন্দোনেশিয়ার কোচ নির্মাণকারি প্রতিষ্টান পিটি ইনকা বলেছে তারা ছাদ আরও মজবুত ও শক্তিশালী করছে, যেহেতু আমাদের ট্রেনে ছাদে যাত্রী ওঠে প্রচুর।

তার মানে রেল ছাদে যাত্রী ওঠা বন্ধ হোক তা চায় না। রেল পিটি ইনকাকে নকশা সেভাবেই দিয়েছে।

নিচের ছবির দায় তাহলে তো রেলকেই নিতে হবে। রেলকে নিশ্চয়তা দিতে হবে ছাদের কোন যাত্রী পানির ট্যাংকে মল মূত্র ত্যাগ করবে না। ছাদ থেকে কারো মালামাল ছিনতাই হবে না।

আমাদের লাল সবুজ এবং সাদা এমজি প্রতিটি কোচের ছাদে পানির ট্যাংকের ঢাকনি সিল করা নয়। নেই কোন লক করার সিস্টেম। যে কেউ ঢাকনি খুলতে পারে। প্রতি ট্রেনের ছাদে যাত্রী থাকে।

সরকারীভাবে ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠাকে সাপোর্ট করা হয়, তা বিশ্বে বিরল। জানি না, বুলেট ট্রেনে বা ইলেকট্রিক ট্রেনের ছাদেও যাত্রী ওঠার সুযোগ রাখবে হয়ত আমাদের রেল, ভবিষ্যতে।