জানলে অবাক হবেন গল্পকেও হার মানায় মন্ত্রী সাধন মজুমদারের কাহিনী

sadhonএকজন কৃষকের সন্তান হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে কুণ্ঠাবোধ করেন না তিনি। তার সততা ও নিষ্ঠার প্রতি আস্থা রেখে জন্মভূমি হাজীনগর ইউনিয়নের মানুষ তার হাতে তুলে দেন ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তৃতীয়বারের সরকার গঠন করা আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভায় নওগাঁর এই কৃতি সন্তানকে ঠাঁই দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

হ্যাঁ, গল্পকেও যেন হার মানায় নতুন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপির কাহিনী। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান থেকে তিনি মন্ত্রিত্ব অর্জন করায় খুশি এলাকাসহ জেলাবাসী।

জেলার বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ হয়েছে সেই আনন্দে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্রের পৈতৃক বাড়ি জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার হাজীনগর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে। তবে শহরের পোস্ট অফিস পাড়ায় সপরিবারে বসবাস করেন তিনি।

বাবা মৃত কামিনী কুমার মজুমদার ও মা মৃত সাবিত্রী বালা মজুমদার। চার মেয়ের বাবা সাধন চন্দ্র।

বড় মেয়ে সোমা মজুমদার ও সেজ মেয়ে কাদেরী মজুমদার ব্যাংকার, মেজ মেয়ে কৃষ্ণা মজুমদার পেশায় চিকিৎসক এবং ছোট মেয়ে তৃণা মজমুদার প্রকৌশলী।

সাধন চন্দ্রের অত্যন্ত সৎ ও নিষ্ঠাবান হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে সর্বত্রই। মধ্যবিত্ত পরিবারের পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি চতুর্থ। ছাত্রজীবন থেকেই সাধন রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

যে কারণে ১৯৮৪ (৮৪-৮৮) সালে নিজ জন্মভূমি হাজীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালে নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এর পর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. ছালেক চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন তিনি।

তবে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই ডা. ছালেক চৌধুরীকেই পরাজিত করে সংসদ নির্বাচিত হন সাধন।

এরপর ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ঐক্যফ্রন্টের মোস্তাফিজুর রহমানকে পরাজিত করে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হন তিনি। এবারের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান সাধন চন্দ্র মজুমদার।