জরুরি সতর্ক জারি বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ‘টিটলি’

jorএগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় তিতলি।

আজ রাতের মধ্যে এটি উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এজন্য চারটি সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তিতলির প্রভাবে সাগর উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য নামানো বা লাইটারিং বন্ধ রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তিতলির ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ভোলা ও বরগুনায় প্রস্তুতি সভা হয়েছে। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সারা দেশে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।ঘূর্ণিঝড় তিতলির প্রভাবে পটুয়াখালীতে ক্রমশই আবহাওয়ার অবনতি ঘটছে। জোয়ারের উচ্চতা বেড়ে প্লাবিত হয়েছে জেলার অন্তত ৫০টি গ্রাম।

বিভিন্ন স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ মেরামত না করায় তলিয়ে গেছে রোপা আমনের ক্ষেত। পানিবন্দী হাজারো পরিবার।

আকস্মিক বন্যায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে পায়রা সমুদ্র বন্দরের সকল কার্যক্রম। জেলার অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটের সব নৌযান চলাচল বুধবার থেকে বন্ধ রয়েছে।আবহাওয়া অফিস বলছে, এটি সামান্য পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।

এতে বাতাসের গতিবেগ রয়েছে, ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এদিকে, চট্টগ্রামে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করা লোকজনকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।