কৃষক লীগের শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা

ageগঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর পর হওয়ার কথা থাকলেও এবার সাত বছরেরও বেশি সময় পর কৃষক লীগের জাতীয় সম্মেলন হচ্ছে।

ফলে পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আগ্রহ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা বেশি। বিশেষ করে শীর্ষ দুই পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হতে নিজ নিজ পক্ষে জোর লবিং-তদবিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন আগ্রহীরা।

ধরনা দিচ্ছেন মূল দল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীদের কাছে। সমর্থকদের নিয়ে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শোডাউনও করেছেন কেউ কেউ।

এদিকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রায় দেড় ডজন নেতার নাম শোনা যাচ্ছে।

সংগঠনের বর্তমান সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা আবারও একই পদে থাকতে ইচ্ছুক। সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা সভাপতি পদে আসতে আগ্রহী।

এছাড়া সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন কৃষক লীগের বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি খান আলতাফ হোসেন ভুলু, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা ও শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

এছাড়া সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. হারুনুর রশীদ হাওলাদারও সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন।

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ সমীর চন্দ। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিপ্লব, বিশ্বনাথ সরকার বিটু ও আবুল হোসেনও একই পদ প্রত্যাশা করছেন।

এছাড়া কৃষক লীগের বর্তমান কমিটির আরও কয়েকজন শীর্ষ দুই পদের জন্য ভেতরে ভেতরে লবিং করলেও প্রকাশ্যে প্রার্থিতার কথা বলছেন না।

এদিকে জাতীয় সম্মেলনে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হওয়ার কথা থাকলেও নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে এবার আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছাই প্রাধান্য পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষ করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ দুটিতে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির আস্থাভাজন ত্যাগী ও দক্ষ নেতাদের নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

আওয়ামী লীগের একাধিক নীতিনির্ধারকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, কৃষক লীগের আগামী নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য পদপ্রত্যাশীদের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ নানা মাধ্যমে আদ্যোপান্ত খোঁজ নিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট নেতাদের।