এবার প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে যে ইতিহাস গরলেন মির্জা ফখরুল

fakrulশপথ না নেয়া প্রথম রাজনীতিবিদ তিনি।

চার সাংসদের শপথ গ্রহণ শেষে মির্জা ফখরুল বলেছিলেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশেই চার এমপি শপথ নিয়েছেন।’

বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে শপথ নেয়া যদি বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে তবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল শপথ নিচ্ছেন কখন।

তবে শেষ পর্যন্ত জানা গেছে, শপথ নিচ্ছেন না ফখরুল।

সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন, শপথ নেয়ার সময় বাড়ানোর বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কোনো চিঠি তিনি পাননি।

fakrulরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলছেন, নির্বাচিত হয়েও শপথ না নেয়ার দিক থেকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ফখরুলই প্রথম।

এক ফেসবুক স্টাটাসে এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘বাংলাদেশে যে ১১টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে তাতে এই প্রথম একজন প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পরও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন না।

বাংলাদেশের রাজনীতি ও সংসদের যে কোনো ইতিহাস লেখা হলে এই বিষয়টি উল্লেখিত হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কারণেই বাংলাদেশের ইতিহাসে আলোচিত হবেন।

এই সিদ্ধান্তের কারণ এবং সত্যতা নিয়ে মতভিন্নতা থাকবে, এর ফল নিয়ে অনেক কথা এখনো বাকি রয়ে গেছে। কিন্তু নৈর্ব্যক্তিকভাবে বিবেচনা করলে এই বিষয়টি মোটেই এড়ানো যাবে না।

শপথ না নেয়ার ব্যাপারে দলীয় সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে দলীয় সিদ্ধান্তে এবং তারেক রহমানের নির্দেশেই বিএনপির এমপিরা শপথ নিয়েছেন। এটাও একটা রাজনৈতিক কৌশল।’

শপথ না নেয়ার বিষয়ে তৃণমূল বিএনপিতে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও উঠে আসছে দলের জন্য ফখরুলের ত্যাগের নানা বিষয়।

কয়েকটি সূত্র বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে সংসদে যেতে চান না বলেই শপথ নেননি মির্জা ফখরুল।