আরও শক্তিশালী পরিণত হয়েছে ‘তিতলি’ সতর্ক বার্তা

tatli‘তিতলি’ আতঙ্কে কাঁটা হয়ে রয়েছে সবাই। একটাই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে, কবে কখন কোথায় আছড়ে পড়বে ‘তিতলি’?শেষ পাওয়া উপগ্রহ চিত্র পর্যবেক্ষণ করে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই আরও শক্তি বাড়িয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’।

আবহাওয়া অফিস বলছে, উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে আরও দু-একদিন। এছাড়া খুলনা-বরিশাল অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। সাগর উত্তাল থাকায় চারটি সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সারা দেশে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।

শেষ কয়েক ঘণ্টায় উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে এই অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। যার ফলেই জোরালো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে ‘তিতলি’র আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা।প্রাথমিকভাবে দেখা গিয়েছিল, ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ রয়েছে উত্তর-পশ্চিম দিকে।

বঙ্গোপসাগরের অভিমুখে অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে বলে জানিয়েছিলেন আবহাওয়াবিদরা।এখন, পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি আরও বাড়বে। তাই স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পর ঝড়ের দাপট থাকবে মারাত্মক।

ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়।উপকূলে আছড়ে পড়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়টি। উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে যদি ‘তিতলি’ আছড়ে পড়ে, তাহলে তারপর কলকাতার উপর দিয়েই বয়ে যাবে ঘূর্ণিঝড়।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস থেকে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।এদিকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।