আনিসুল হকের অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণের অঙ্গিকার নিয়ে মাঠে নেমেছেন আদম তমিজি হক

adamআদম তমিজি হক সোনার চামচ মুখে নিয়ে যার জন্ম৷কিন্তু তারপরও বিত্ত বৈভবের বাইরেও তার একটা জগত আছে৷

সেখানে নেই কোন দাম্ভিকতা,নেই কোন গতানুগতিক ক্ষমতার লিপ্সা৷বিশাল হৃদয়ের নবীন এই রাজনীতিবিদের রাজনৈতিক দীক্ষা তার রক্তে পাওয়া৷আর তা হলো পৈতৃক সূত্রে৷বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালনকারীর যেমন কোন নেতার দরকার হয়না মানুষের সেবক হতে ঠিক তেমনি আদম তমিজি হকের দরকার হয়নাই কারও অধীনস্থ হয়ে রাজনীতিতে অনুপ্রবেশের৷

জাতির জনক কন্যা শেখ হাসিনাকে মনে প্রাণে নিজের নেত্রী মানা এই উদার মানুষটার জন্ম হয়েছে দেশের সেবক হওয়ার জন্য৷আর তাইতো প্রয়াত আনিসুল হকের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এসেছেন তিনি৷গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে গিয়ে আধুনিক ঢাকার স্বপ্নে বিভোর আদম তমিজি হকের সততা-নিষ্ঠা ও প্রঙ্গাই হলো তাঁর রাজনীতির সম্বল৷তরুণ সমাজে যথেষ্ট সুনাম কুড়ানো হক গ্রুপ অব ইন্ড্রাসটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকের জন্ম ১৯৭৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর, রাজধানীর ইস্কাটন এলাকায়।

তবে পারিবারিক কারণে ছেলেবেলায়ই পাড়ি জমাতে হয়েছে বিদেশে। সেখানে পড়াশুনার পাঠ চুকিয়ে দেশে ফিরে যুক্ত হন ব্যবসায়। ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি জাতির জনকের আদর্শ লালন, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সব সময়ই অবদান রেখে চলেছেন তিনি। একই সাথে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার আগ্রহ রয়েছে। মেহনতি মানুষের লড়াকু যোদ্ধা আদম তমিজি হক। জীবন বাজী রেখে মানুষের জন্য সারাটা জীবন তিনি কাজ করতে চান, কাজ করে চলছেন।

তিনি বলেন, মাটি ও মানুষের জন্য আমার রাজনীতি।তিনি গরীব,দু:খি,মেহনতি মানুষসহ সমাজের উন্নয়নে সর্বদা নিজেকে উৎসর্গ করে দিয়েছেন। যিনি বিশেষ করে মেহনতি মানুষের আপনজন হিসেবে বেশ পরিচিত। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন তরুন আ’লীগ নেতা ও শিল্পপতি আদম তমিজি হক।

তিনি তার কর্মদক্ষতা, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ব্যতিক্রমধর্মী সামাজিক কর্মকাণ্ডে ঢাকা উত্তরের প্রতিটি ওয়ার্ডে নানা শ্রেণী পেশার মানুষের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন।

তিনি বলছেন, সবার জন্য বাসযোগ্য মানবিক, পরিবেশবান্ধব, যানজটমুক্ত রাজধানী গড়া, সেবার মান উন্নত করার জন্য (২৪ ঘণ্টা ৭ দিন) কল সেন্টার চালু, নারীদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জলাবদ্ধতা দূর করা, যানজট নিয়ন্ত্রণ, বাড়িভাড়া আইন বাস্তবায়ন, পাঠাগার, পার্ক-বিনোদন কেন্দ্রের ব্যবস্থা, বস্তিবাসীদের উন্নয়নে কাজ করা, পর্যাপ্ত নিরাপদ গণশৌচাগার, খাল-জলাশয় দখলদারদের উচ্ছেদ, ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষা, পরিবেশবান্ধব নগর গড়ে তোলা, ছিন্নমূল মানুষের জন্য শেল্টার হোম, ডে-কেয়ার সেন্টার চালু, ই-সেবা চালু, ফরমালিন ও বিষমুক্ত খাবার নিশ্চিত, বর্জ্যসমূহ ট্রিটমেন্ট করে বিদ্যুৎ, সার ও জৈব গ্যাস উৎপাদন, ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বন্টন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ জনকল্যানমুখী কর্মকান্ডে নাগরিক সেবা নিশ্চিতে কাজ করতে অঙ্গিকারাবদ্ধ তিনি।

সেদিন বেশি দূরে নয় যখন ঢাকার আকাশ ছাপিয়ে সারা বাংলাদেশে যুব সমাজের অহংকার হয়ে উঠবেন আদম তমিজি হক৷বর্তমানের কলুষিত রাজনৈতিক চেতনা থেকে যুব সমাজকে বের করে আনতে এবং দক্ষ,কর্মঠ যুব সম্প্রদায় তৈরি করতে একজন আদম তমিজি হকের খুবই প্রয়োজন বাংলাদেশের রাজনীতিতে৷