আজ শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে একগুচ্ছ সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

nahidআজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ওই বৈঠকে শিক্ষকদের একগুচ্ছ সুখবর দিয়েছেন তিনি। বৈঠকে শিক্ষকরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি -দাওয়ার কথা তুলে ধরেন। সেসব শুনে শিক্ষকদের বিভিন্ন বিষয়ে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী।

ঘণ্টাব্যাপি বৈঠকে উপস্থিত একাশিক শিক্ষক বলেন, মন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষকদের ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। এটির ফাইল বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই এ বিষয়ে ঘোষণা দেবেন। এমপিওভুক্তি ও জনবল কাঠামোর নতুন নীতিমালার বিভিন্ন দিকসহ বিভিন্ন দাবির বিষয়ে আগামী দুই/এক মাসের মধ্যে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে ঘোষণা আসতে পারে অথবা একটি শিক্ষক মহাসমাবেশে এই ঘোষণা করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারের বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় যাছাই-বাছাই চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মাঠ পর্যায়ে সরেজমিনে যাচাই-বাছাই চলবে। যাচাই-বাছাই করে এমপিওভুক্ত করা হবে।’ এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার নতুন প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। ইতোমধ্যে ‘ননএমপিও’ প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে অনলাইনে আবেদন আহবান করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-কারিগরি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ৯ হাজার ৪ ৯৮টি আবেদন অনলাইনে জমা পড়েছে।

মতবিনিময় সভা শেষে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের নেতা ও অবসর সুবিধা বোর্ডের সদস্য-সচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী অবসর কল্যাণ তহবিলের ৭৫৭ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত চিঠি আমরা হাতে পেয়েছি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন ও মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের সচিব মো. আলমগীর,শিক্ষক নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আসাদুল হক, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের নেতা ও অবসর সুবিধা বোর্ডের সদস্য-সচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী,বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম ও আব্দুল আওয়াল সিদ্দিকি, বাংলাদেশ কারিগরি কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলম সাজু, স্বাধীনতা মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান নাঈম, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ফেডারেশসের সভাপতি মো. শাহজাহান খান,বাংলাদেশ মাদারাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ হারুন-অর-রশিদ এবং বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছিনের মহাসচিব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজীসহ শিক্ষক-কর্মচারী সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।