আগামী মাসেই যে সুখবর পাচ্ছেন নিবন্ধনধারীরা

ntrcaসম্প্রতি প্রায় ৪০ হাজার পদে নিয়োগের সুপারিশ প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আবেদনকারীদের মধ্য থেকে পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ দেয়া হয়।

এক্ষেত্রে একটি প্রতিষ্ঠানে ১০ জন আবেদন করলে তাদের মধ্যে শীর্ষ মেধাবী সুপারিশ প্রাপ্ত হন। ১ মাসের মধ্যে ওই প্রার্থী কাজে যোগ না দিলে দ্বিতীয় সেরা মেধাবী সুপারিশ পাবেন। ৭ মার্চের পর এ দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের কথা আছে।

এদিকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে সুপারিশ প্রাপ্তরা বিপাকে পড়েছেন। কোথাও প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে। কোনো প্রতিষ্ঠান বলছে, সুপারিশ করা পদ বিদ্যমান নেই। আবার কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে বলা হচ্ছে, সুপারিশকৃত পদের চাহিদা দেননি তারা।

এছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হলেও এমপিওভুক্ত হিসেবে পদের চাহিদা দিয়েছে। এ কারণে মনোনীত প্রার্থীরা ওইসব প্রতিষ্ঠানে যোগদানে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। অনেকে এনটিআরসিএ কার্যালয়ে অভিযোগও করছেন।

জানা গেছে দৈনিক গড়ে দুই থেকে আড়াইশ অভিযোগ জমা পড়ছে। এ বিষয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যান এসএম আশফাক হুসেন যুগান্তরকে বলেন, সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের কাছ থেকে আমরা বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ পাচ্ছি।

সেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কোনো বাহানায় কোনো প্রতিষ্ঠানই প্রার্থীদের কাজে যোগদানে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারবে না।

তিনি জানান, নীতিমালায় পরিষ্কারভাবে শাস্তির কথা নির্দেশিত আছে। আমরা ১ মাস অপেক্ষা করব। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠান প্রার্থীদের যোগদান করতে না দিলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোতে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ পাঠাব।

যোগদানে বাধ্যবাধকতা থাকায় অনেকেই সুপারিশপত্র নিয়ে কাজে যোগ দিতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন তারা। কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমপিওভুক্তির খরচসহ নানা নামে প্রার্থীদের কাছে অর্থ দাবি করা হচ্ছে।