অবশেষে ২০১৮ সালেই হবে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫

AGEঅবশেষে বাড়ছে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা। জানা গেছে দাবি অনুযায়ী ৩৫ বছরই করা হবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাযার্লয়ে পাঠানো এক প্রস্তাবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করার সুপারিশ করা হয়। এরপর এক মাসেরও বেশি সময় কেটে গেলেও জানা গেছে সরকার মেয়াদের শেষ সময়ে এসে চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছে। প্রস্তাবনার খসড়াটি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সায় দিলে শিগগিরই মন্ত্রিসভা বৈঠকে উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলেই প্রজ্ঞাপন জারি করবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, আসন্ন জাতীয় নিবার্চনের আগে এ প্রস্তাব দেয়া ঠিক হবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে ভুগছিল সরকারের শীর্ষ মহল। যে কারণে এতো সময়ক্ষেপণ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে অবশেষে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি মিললেই মন্ত্রিসভা হয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জানা যায়, আসন্ন জাতীয় নিবার্চনের আগে এ প্রস্তাব দেয়া ঠিক হবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে ভুগছিল সরকারের শীর্ষ মহল। যে কারণে এতো সময়ক্ষেপণ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে অবশেষে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি মিললেই মন্ত্রিসভা হয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ কৌশলগতভাবেই চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমার বিষয়টিতে ইতিবাচক। কারণ হিসেবে ভাবা হচ্ছে, দেশের ২ কোটি ২৫ লাখ তরুণ ভোটারের কথা। আর এটি তরুণদের দীর্ঘদিনের দাবি। ফলে এ প্রস্তাব পাস করলে তরুণ ভোটাররা উদ্বুদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে বলে আশা ক্ষমতাসীন দলের। নেতাদের কেউ কেউ মনে করেন, নিবার্চনের আগেই এটি বাস্তবায়ন করা হলে ভোটে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সাধারণ বয়স ৩০বছর। আর অবসরের বয়স ৫৯ বছর। চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করে আসা শিক্ষার্থীরা বলছেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছরই করতে হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ বলেন, স্থায়ী কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যে সুপারিশ করা হয়েছে অবশ্যই যৌক্তিক। আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবিষয় নীতিনির্ধারকরা ভালো বলতে পারবেন। চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা বৃদ্ধির প্রস্তাবনা এখন কোথায় আছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয় কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার সুপারিশ করেছে। এ বিষয়ে খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আলোচনা হচ্ছে, প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি, খুব তাড়াতাড়ি হবে। খুব তাড়াতাড়িই জানতে পারবেন।