অবশেষে সেই বিমান ছিনতাকারী পলাশকে নিয়ে একি বললেন নায়িকা সিমলা!

shimlaবাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ছিনতাইচেষ্টার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ফোর্স ও নৌ কমান্ড দলের অপারেশনে নিহত কথিত ছিনতাইকারীর নাম-পরিচয় প্রকাশ করেছে র‌্যাব। তার নাম মাহমুদ পলাশ (২৪)।

সোনারগাঁও সদর উপজেলা থেকে আট কিলোমিটার দূরে পিরোজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রাম। সে গ্রামেই বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী মাহমুদ পলাশের বাড়ি।

তবে টিকিটে তার নাম মো. মাজিদুল বলে জানা গেছে। তবে তার সর্ম্পকে বিস্তারিত কিছু জানা যায়ানি। ইতিমধ্যে তার ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। মৃত্যুর পর শাহ আমানত বিমানবন্দরের রানওয়েতে তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

গতকাল চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমানটিকে জরুরি অবতরণ করেন। বিজি-১৪৭ নং ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিলো।

এদিকে ঘটনার পর থেকে পলাশের সঙ্গে নায়িকা সিমলার একাধিক ছবি প্রকাশ পায় গণমাধ্যমে। বলা হয় সিমলা পলাশের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।

এদিকে সিমলার খোঁজ না থাকায় এ নিয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছিলো না। তবে শেষমেশ সিমলার খোঁজ মিলেছে এবং তিনি পলাশের সঙ্গে নিজের বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন।

আজ  একটি গণমাধ্যমকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে সিমলা বলেন, পলাশের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। চারমাস আগে তালাক দিয়েছি পলাশকে। তার মানসিক ভারসাম্যতা হারিয়ে ফেলার কারণেই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

পলাশকে কবর নামের একটি শর্ট ফিল্মের প্রযোজক হিসেবেই চিনতাম। ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তাদের প্রথম সাক্ষাৎ হয়। তার নিজের অভিনীত একটি চলচ্চিত্রের পরিচালকের বাসার একটি অনুষ্ঠানে প্রথম পরিচয়।

এরপর তারা সম্পর্কে জড়িয়ে যান। ২০১৮ সালের ৩ মার্চ তাদের বিয়ে হয়। পরে বছরের শেষ দিকে ৬ নভেম্বর তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

কেন বিবাহ বিচ্ছেদ সে প্রশ্নের জবাবে সিমলা বলেন, কিছু সমস্যা ছিলো বিধায়ই ডিভোর্স হয়েছে। তার মানসিক সমস্যাই এর মূল কারণ।

‘সে যা করেছে তা অস্বাভাবিক। দেশের জন্য দুঃখজনক ও লজ্জার। এজন্য যদি প্রয়োজন হয়, আমি দেশের জন্য যেকোন কিছুর মুখোমুখি হতে রাজি,’ বলেন আলোচিত এই নায়িকা।

প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমান রোববার ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছিল। প্রায় দুই ঘণ্টার টানটান উত্তেজনার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি ছিনতাই চেষ্টার অবসান হয়।

কমান্ডো অভিযানে উড়োজাহাজে থাকা অস্ত্রধারী তরুণ নিহত হন। টিকিটে তার নাম মো. মাজিদুল বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল।

এর আগে উড়োজাহাজটি থেকে যাত্রী-ক্রুসহ সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় বিমানবন্দর এলাকায় ভিড় করে অসংখ্য মানুষ।

এ ঘটনায় সাতটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাত ১০টার দিকে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়।-বিডি২৪লাইভ